Skip to main content

ফেসবুক আপনার কি কি ক্ষতি করছে!!!!!

ফেসবুক একটা শয়তানের বক্স।অপকারীতা ছাড়া উপকারী কিছু নেই এতে।সোশ্যাল মিডিয়ার নামে আন সোশ্যাল বানায় আমাদের।মাদকাসক্তরা যেমন নির্দিষ্ট সময় পেরোনের পর আর টিকতে পারেনা মাদক গ্রহণ করা থেকে তেমনই ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তরাও নির্দিষ্ট সময় পেরোনোর পর ফেসবুক এ বা সেসব সোশ্যাল মিডিয়ায় না ঢুকলে ছটফট করতে থাকে।সে অর্থে মাদকাসক্ত আর ফেসবুকাসক্তের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই।
ব্রেন এর তেজ কমায় এই ফেসবুক।আগে আমরা কিছু লিখতে হলে খাতায় লিখতাম।এখন ফেসবুকে লিখি বা প্রায় সময় কপি করি।কিন্তু বিজ্ঞান বলে ব্রেন হচ্ছে রাবারের মত যত চাপ দিবেন তত বড় হবে।আর আমরা ফেসবুকের জন্য এখন ব্রেনে চাপ দেয়া বা ব্রেন খাটানো ভুলেই গেছি।
হায় হায়!পড়ালেখার কথা আর কি বলবো...যে ছেলে বই ছাড়া কিছু বুঝতো না।যেই পড়াটা মুখস্ত করতে তার লাগতো ২০মিনিট সেই ছেলে এখন ফেসবুকে আসক্ত হয়ে শুধুমাত্র পরিক্ষার আগের দিন বই খুলে আর ২ঘন্টা পার হয়ে গেলেও মুখস্ত হয়না আগের মত।সবই কিন্তু এই ফেসবুকের জন্য।
অনেকে বলবেন ফেসবুক না থাকলে তো যোগাযোগ কমে যাবে।সংগঠনের প্রচার/নিজের প্রচার করবো কিভাবে।আসলে ফেসবুক যোগাযোগ বাড়ায় না বরং যোগাযোগ কমায়।আপনি হিসেব করে দেখুন,ফেসবুক খোলার আগে আপনি কতক্ষন বন্ধুদের সময় দিতেন আর এখন কতক্ষন দেন??হয়তো মেসেঞ্জারে হাই হেল তারপর শেষ বন্ধুর সাথে কথা বার্তা।সত্যি করে বলুন তো আগে যেই টান অনুভব করতেন বন্ধুদের জন্য এখন আর সেই টান অনুভব করেন কি?যেই বন্ধুকে এক সপ্তাহ অন্তর অন্তর ফোন দিতেন এখন ফেসবুকে তাকে ২-১টা মেসেজ করে এক মাসেও ফোন দেন না।টান অনুভব করেন না আর তাদের প্রতি।টান অনুভব হয় লাইক আর কমেন্ট এর জন্য।
আমেরিকান এক গবেষণায় দেখা গেছে ২০০২সালে যাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল ২২জন ২০১৪সালে তাদের বন্ধু কমে দাড়িয়েছে ২জনে।একমাত্র কারণ এই ফেসবুক বা সোশাল মিডিয়া।আমাদের অবস্থাও সেম।
আমরা অনেকে ফেসবুক ছাড়তে পারিনা কিছু যুক্তির কারণে।যেমন ফেসবুক না চালালে দুনিয়ার খবর হাতের মুঠোয় আসবে কি করে??ঠিক না??
এখানে আমার উত্তর..আদার ব্যাপারী জাহাজের খবর নেয়া কি দরকার!!?অর্থাৎ :আমেরিকার নির্বাচনে রাশিয়ার ভূমিকা কি!!অং সাং সূচির নোবেল নিয়ে কি কি আলোচনা হলো বাংলাদেশ এর কোনাকাঞ্চিতে কি কি ঘটনা ঘটলো এসব জেনে আসলে আমাদের লাভ কি??বাস্তব জীবনে কি এসবের কোনো প্রয়োজন আছে??নাই।কিন্তু এই যুক্তিতে ফেবু ছাড়তে পারিনা।আসলে আমরা খুবই দূর্ভাগা।আমাদের কিশোর বয়সে এমন এক শয়তানের বাক্স আমাদের ভাগ্যে জুটেছে।এই শয়তানের বাক্স ছাড়া চলা নাকি এখন অসম্ভব।
উপরের কথাগুলো আমার ব্যক্তিগত অনুধাবন।আপনাদের কারো ব্যক্তিগত জীবনের সাথে মিলে যায় কিনা জানিনা।
নিয়ত করেছি ফেসবুক ব্যবহার কমিয়ে দিবো।আস্তে আস্তে ছেড়ে দিব।তবে বিষয় টা ময়দানে সশস্ত্র জিহাদের চায়তেও কঠিন।

Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশের গর্ব নতুন আজহারী আব্দুল মোস্তফা রাহিম

বিশ্বের  সবচেয়ে  প্রাচীন  ইসলামিক  বিশ্ববিদ্যালয়  থেকে  গ্রেজুয়েশন  শেষ  করে  দেশে  ফিরে  ইসলাম  প্রচার  করছেন  আল্লামা  বাকী  বিল্লাহ  রহঃ  এর  বড়  সাহেবজাদা  আব্দুল  মোস্তফা  রাহিম   আল আজহারী। জন্ম :  ১৫  সেপ্টেমবর   ১৯৯১ ইং। বাবা :  আল্লামা  বাকী  বিল্লাহ  রহঃ । পড়ালেখা :  জামেয়া  গাউছিয়া  তৈয়্যবিয়া  তাহেরিয়া   মাদ্রাসা , জামেয়া  আহমাদিয়া  সুন্নিয়া , কাদেরিয়া  তৈয়্যবিয়া  আলিয়া কামিল   মাদ্রাসা ,  আল আজহার  বিশ্ববিদ্যালয়। দ্বীনি খেদমত :  বাংলাদেশের   প্রায়   সব  যায়গায়  উনার  পরিচিতি  বিস্তৃত।ওয়াজ  মাহফিলের  মাধ্যমে  ইসলামের  আলোচনা  দেশ বিদেশে  করে থাকেন।এ ছাড়াও  বিজয়  টিভি  এর  নিয়মিত  আলোচক এবং ঢাকার  হাবিবিয়া  মসজিদের ...

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ইসলামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস দেখুন

           নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ইসলামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস দেখুন                                                                            নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চুল মুবারাক                                                                                          হাজরে আসওয়াদ                                                               ...

বাংলাদেশে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের ইতিহাস

                বাংলাদেশে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী  পালনের ইতিহাস নবিজির আগমনে খুশী উদযাপন করতে জশনে জুলুস বা আনন্দ মিছিল বাংলাদেশে প্রথম পালিত হয় ১৩৯৪ হিজরী মোতাবেক ১৯৭৪ সালে। আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তরিকত এর সংগঠন আঞ্জুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কে জশনে জুলুস বের করতে নির্দেশ প্রদান করেন। প্রথম জুলুসটি বের হয় চট্টগ্রাম থেকে ১৯৭৪ সালে। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে তৈয়্যব শাহ রহ নিজে জুলুসে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রথম দিকে কিছু মানুষ এর বিরোধীতা করলেও পরবর্তীতে সকল হক্ব পন্থী দরবার মেনে নেয়।তারা তাদের নেতৃত্বে নিজ নিজ এলাকা থেকে জুলুস বের করে। বর্তমানে জশনে জুলুস দেশের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের মাঝে একটি। একটি বেসরকারী সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী ১২ রবিউল আওয়াল এ দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ বিভিন্ন প্রান্তে জশনে জুলুসে অংশ নিয়ে থাকে। জশনে জুলুস বিশ্বের সর্ববৃহৎ জশনে জুলুস পালন হয়ে থাকে বাংলাদে...