Skip to main content

বাংলাদেশে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের ইতিহাস


                বাংলাদেশে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের ইতিহাস

নবিজির আগমনে খুশী উদযাপন করতে জশনে জুলুস বা আনন্দ মিছিল বাংলাদেশে প্রথম পালিত হয় ১৩৯৪ হিজরী মোতাবেক ১৯৭৪ সালে।

আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি
আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তরিকত এর সংগঠন আঞ্জুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কে জশনে জুলুস বের করতে নির্দেশ প্রদান করেন।

প্রথম জুলুসটি বের হয় চট্টগ্রাম থেকে ১৯৭৪ সালে।পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে তৈয়্যব শাহ রহ নিজে জুলুসে নেতৃত্ব প্রদান করেন।
প্রথম দিকে কিছু মানুষ এর বিরোধীতা করলেও পরবর্তীতে সকল হক্ব পন্থী দরবার মেনে নেয়।তারা তাদের নেতৃত্বে নিজ নিজ এলাকা থেকে জুলুস বের করে।
বর্তমানে জশনে জুলুস দেশের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের মাঝে একটি।

একটি বেসরকারী সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী ১২ রবিউল আওয়াল এ দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ বিভিন্ন প্রান্তে জশনে জুলুসে অংশ নিয়ে থাকে।

জশনে জুলুস
বিশ্বের সর্ববৃহৎ জশনে জুলুস পালন হয়ে থাকে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে।দেশ বিদেশ থেকে প্রায় ৪০ লাখ লোক এ জুলুসে অংশ নিয়ে থাকেন।প্রায় ৩৩ বছর ধরে এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী।
দেশ বিদেশ থেকে দাবী উঠছে যে,এই জুলুস কে যেন ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ এর মর্যাদা দেয়া হয়।

আগামী ২১ নভেম্বর 2018


ঢাকা-চট্টগ্রাম সহ দেশে প্রায় সব জেলা উপজেলা থেকে জশনে জুলুস বের হবে।আপনিও আমন্ত্রিত।


Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশের গর্ব নতুন আজহারী আব্দুল মোস্তফা রাহিম

বিশ্বের  সবচেয়ে  প্রাচীন  ইসলামিক  বিশ্ববিদ্যালয়  থেকে  গ্রেজুয়েশন  শেষ  করে  দেশে  ফিরে  ইসলাম  প্রচার  করছেন  আল্লামা  বাকী  বিল্লাহ  রহঃ  এর  বড়  সাহেবজাদা  আব্দুল  মোস্তফা  রাহিম   আল আজহারী। জন্ম :  ১৫  সেপ্টেমবর   ১৯৯১ ইং। বাবা :  আল্লামা  বাকী  বিল্লাহ  রহঃ । পড়ালেখা :  জামেয়া  গাউছিয়া  তৈয়্যবিয়া  তাহেরিয়া   মাদ্রাসা , জামেয়া  আহমাদিয়া  সুন্নিয়া , কাদেরিয়া  তৈয়্যবিয়া  আলিয়া কামিল   মাদ্রাসা ,  আল আজহার  বিশ্ববিদ্যালয়। দ্বীনি খেদমত :  বাংলাদেশের   প্রায়   সব  যায়গায়  উনার  পরিচিতি  বিস্তৃত।ওয়াজ  মাহফিলের  মাধ্যমে  ইসলামের  আলোচনা  দেশ বিদেশে  করে থাকেন।এ ছাড়াও  বিজয়  টিভি  এর  নিয়মিত  আলোচক এবং ঢাকার  হাবিবিয়া  মসজিদের ...

শবে বরাতের দলিল

দলিল-আদিল্লার ভিত্তিতে শবে বরাত ও শবে বরাতে আমাদের করণীয় লেখক; রেজাউল মোস্তফা তানভীর শিক্ষার্থী;ইসলামী ধর্মতত্ব বিভাগ। আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন । ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা সাইয়িদিল আশরাফিল আম্বিইয়া ই ওয়াস সালিহিন । ওয়ালা আলিহি ওয়া আসহাবিহি ওয়াবারিক ওয়াসাল্লিম । আ রবী বার মাসের মাঝে শাবান মাস অত্যন্ত ফজিলত ও বরকতমন্ডিত মাস । এ মাসের শোভা বা বরকত আরো বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা ‘শবে বরাতে’র মাধ্যমে । হাদিসের ভাষায় ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ হলেও ভারতীয় উপমহাদেশে আমরা এই রাতকে ‘শবে বরাত’ হিসাবে চিনি । “ শব ” ফার্সি শব্দ , অর্থ ; রাত , রজনী । আর বরাত শব্দটি আরবী । অর্থঃ দায়মুক্তি , নিষ্কৃতি , অব্যাহতি ইত্যাদি । অ তএব ‘শবে বরাতে’র পূর্ন অর্থ হলো , দায়মুক্তির রাত বা নাজাতের রাত । ওলামায়ে কেরাম এ রাত্রির মাহাত্ন আলোচনা করতে গিয়ে একে বিভিন্নভাবে নামকরণ করেছেন । হযরত আবুল খায়র আত - ত্বালকানী ( ৫১২ হিজরী – ৫৯০ হিজরী ) এ রাত্রির এ রকম বাইশটি নাম একত্রিত করেছেন । তন্মধ্যে নিন্মে কতেক নাম উল্ল্যেখ করা হলো ; ...

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ইসলামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস দেখুন

           নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ইসলামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস দেখুন                                                                            নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চুল মুবারাক                                                                                          হাজরে আসওয়াদ                                                               ...