Skip to main content

Posts

বাংলাদেশের গর্ব নতুন আজহারী আব্দুল মোস্তফা রাহিম

বিশ্বের  সবচেয়ে  প্রাচীন  ইসলামিক  বিশ্ববিদ্যালয়  থেকে  গ্রেজুয়েশন  শেষ  করে  দেশে  ফিরে  ইসলাম  প্রচার  করছেন  আল্লামা  বাকী  বিল্লাহ  রহঃ  এর  বড়  সাহেবজাদা  আব্দুল  মোস্তফা  রাহিম   আল আজহারী। জন্ম :  ১৫  সেপ্টেমবর   ১৯৯১ ইং। বাবা :  আল্লামা  বাকী  বিল্লাহ  রহঃ । পড়ালেখা :  জামেয়া  গাউছিয়া  তৈয়্যবিয়া  তাহেরিয়া   মাদ্রাসা , জামেয়া  আহমাদিয়া  সুন্নিয়া , কাদেরিয়া  তৈয়্যবিয়া  আলিয়া কামিল   মাদ্রাসা ,  আল আজহার  বিশ্ববিদ্যালয়। দ্বীনি খেদমত :  বাংলাদেশের   প্রায়   সব  যায়গায়  উনার  পরিচিতি  বিস্তৃত।ওয়াজ  মাহফিলের  মাধ্যমে  ইসলামের  আলোচনা  দেশ বিদেশে  করে থাকেন।এ ছাড়াও  বিজয়  টিভি  এর  নিয়মিত  আলোচক এবং ঢাকার  হাবিবিয়া  মসজিদের ...

বাংলাদেশে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের ইতিহাস

                বাংলাদেশে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী  পালনের ইতিহাস নবিজির আগমনে খুশী উদযাপন করতে জশনে জুলুস বা আনন্দ মিছিল বাংলাদেশে প্রথম পালিত হয় ১৩৯৪ হিজরী মোতাবেক ১৯৭৪ সালে। আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তরিকত এর সংগঠন আঞ্জুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কে জশনে জুলুস বের করতে নির্দেশ প্রদান করেন। প্রথম জুলুসটি বের হয় চট্টগ্রাম থেকে ১৯৭৪ সালে। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে তৈয়্যব শাহ রহ নিজে জুলুসে নেতৃত্ব প্রদান করেন। প্রথম দিকে কিছু মানুষ এর বিরোধীতা করলেও পরবর্তীতে সকল হক্ব পন্থী দরবার মেনে নেয়।তারা তাদের নেতৃত্বে নিজ নিজ এলাকা থেকে জুলুস বের করে। বর্তমানে জশনে জুলুস দেশের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের মাঝে একটি। একটি বেসরকারী সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী ১২ রবিউল আওয়াল এ দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ বিভিন্ন প্রান্তে জশনে জুলুসে অংশ নিয়ে থাকে। জশনে জুলুস বিশ্বের সর্ববৃহৎ জশনে জুলুস পালন হয়ে থাকে বাংলাদে...

প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরায় সমালোচনার মুখে হেফাজত এর আমির আহমদ শফি

প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরায় সমালোচনার মুখে হেফাজত এর আমির আহমদ শফি   । আজ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শোকরানা মাহফিলের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরায় সমালোচনার মুখে হেফাজত এর আমির আহমদ শফি ।  প্রধানমন্ত্রী ষ্টেজে উঠলে প্রধানমন্ত্রীরসাথে হেন্ডশেক করতে হাত বাড়িয়ে দেন হেফাজত ইসলাম ও জামাতে ইসলামের আমীর আহমদ শফি।পরে প্রধানমন্ত্রীও হাত বাড়িয়ে দেন। এই ঘটনায় সমালোচনা চলছে দেশে বিদেশে।একজন আলেম হয়ে কিভাবে একজন পরনারীর হাত ধরতে পারলো এ নিয়েই চলছে চুরচেরা বিশ্লেষণ। এ বিষয়ে আপনার মতামত কি?       

কেবল মক্কা আর মদিনা ছিল দৃশ্যমান আর পৃথিবীর বাকি সবই ছিল অন্ধকার!

কেবল মক্কা আর মদিনা ছিল দৃশ্যমান আর পৃথিবীর বাকি সবই ছিল অন্ধকার! একটি নভোযান পাঠানো হলো বরাবরের মতোই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা থেকে। ২০০৬ সালের কথা। যে অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছিল মহাকাশের খোঁজখবর সংগ্রহ করাই। অন্য গবেষকদের সঙ্গে সে নভোযানে অবস্থান করছিলেন সুনিতা উইলিয়াম। মহাকাশ গবেষণাযানটি যখন পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ২৪০ মাইল উপরে, হঠাৎ নিচের দিকে চোখ আটকে যায় সুনিতার। পৃথিবী পৃষ্ঠে তারার মতো তিনি দুটি আলো জ্বলতে দেখলেন। তখন চিন্তায় পড়ে গেলেন সুনিতা; ভাবলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠে তো কোনো আলোকশিখা থাকার কথা নয় এভাবে জ্বলে থাকার মতো। সঙ্গীদের ডেকে দেখালেন এবং টেলিস্কোপের সাহায্যে আলো দুটিকে নির্ণয় করার চেষ্টা চালালেন। তবে এই আলোকরশ্মি দুটি কি? নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হলো সুনিতার। আরো কাছে, আরো পরিষ্কারভাবে দেখলেন, আলো দুটির কেন্দ্রস্থল পৃথিবীর মক্কা ও মদিনা। মহাকাশমুখি এই আলোকরশ্মি দুটি বিকিরিত হচ্ছে মক্কা শহরের কেন্দ্রস্থল ও মদিনা শহরের কেন্দ্রস্থ থেকে। এমনকি মহাকাশ অঙ্গনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা সম্পর্কে সুনিতা উইলিয়াম নিজেই বলেছেন যে, ‘আমি যখন পৃথিবী থেকে প্রায় ২৪০ মাইল উপরে উঠলাম, ত...

যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম মুহাম্মদ

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম মুহাম্মদ। যদি সরকারি তালিকায় এটি দেখা যাচ্ছে অলিভার। ২০১৩ সাল থেকে শুরু করে পরের টানা চার বছর ধরে সরকারি তালিকায় সবচেয়ে বেশি রাখা নামের শীর্ষে রয়েছে মুহাম্মদ। কিন্তু ২০১৭ সালে এটি পিছে পড়ে যায়। যুক্তরাজ্যেল জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের (ওএনএস) দেয়া তথ্য অনুযায়ী, মুহাম্মদ নামের বানানের বিষয়টি বিবেচনা করলে এই পরিসংখ্যান সহজে বদলে যেত। মুহাম্মদ নামের তালিকার শীর্ষে থাকতো। ২০১৭ সালের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, সে বছর যুক্তরাজ্যে জন্ম নেয়া শিশুদের নামের তালিকার শীর্ষে ছিল অলিভার। ৬২৯৫ জনের নাম রাখা হয় অলিভার। নামের তালিকার ১০ নম্বরে ছিল মুহাম্মদ। ৩৬৯১ টি শিশুর নাম রাখা হয় মুহাম্মদ। কিন্তু ইংরেজিতে মুহাম্মদ নামের বানান করা হয়েছে ১৪ রকম ভাবে - মুহাম্মদ, মহম্মদ, মোহামেদ, মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ইত্যাদি ইত্যাদি। ফলে সরকারি তালিকায় ভিন্ন ভিন্ন নাম হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। হিসাব করে দেখা গেছে, একভাবে যদি এই নামের বানানটি লেখা হতো তাহলে মুহাম্মদ নাম রাখা শিশুর সংখ্যা হতো ৭,৩০৭। অর্থাৎ অলিভারের চাইতে এক হাজারেরও বেশি শিশুর নাম হতো মুহাম...

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় বারোটি খাবার

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় বারোটি (12) খাবার প্রায় দেড় হাজার বছর আগে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম   এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তাঁর গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো। এসব খাবার নবীজী ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  আহার করতেন এবং দেড় হাজার বছর পর আজকের বিজ্ঞান গবেষণা করে দেখেছে নবীজী ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  এর বিভিন্ন খাবারের গুণাগুণ ও উপাদান অত্যন্ত যথাযথ ও নির্ভুল , নিরঙ্কুশভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নবীজী ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  এর খাবারের মধ্যে রয়েছে বার্লি , খেজুর , ডুমুর , আঙ্গুর , মধু , তরমুজ , দুধ , মাশরুম , অলিভ অয়েল , ডালিম-বেদানা , ভিনেগার ও পানি। খাবারের গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো   এক :   খেজুর:   খেজুরের গুণাগুণ ও খাদ্যশক্তি অপরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীর সতেজ রাখে। নবীজী   সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম   বলতেন ,   যে বাড়ীতে খেজুর নেই সে বাড়ীতে কোন খাবার নেই। এমনকি সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার ...

আওলাদে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারা এবং তাদের মর্যাদা

চলে এসেছে আরবী মাসের প্রথম মাস মাহে মহরম। সবাইকে আমাদের পক্ষ থেকে হিজরী ১৪৪০ সালের নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আপনারা সকলেই জানেন মহররম শব্দটি যখনই আমাদের সামনে উচ্চারিত হয়,তখনই মুসলমান মাত্র ভেষে উঠে কারবালার বিষাদ প্রান্তের কথা।যেই প্রান্তে শহিদ হয়েছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় নাতী জান্নাতের সরদার হযরত ঈমাম হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি ছিলেন আহলে বাইতের সদস্য। আজ আমরা জানবো আহলে বাইত কারা।তাদের মর্যাদা ও ফযিলত সমপর্কে। পুরো আর্টিকেল টি পড়ে শেয়ার করে দিবেন। আহলে বাইতের পরিচয়ঃ আহল শব্দের বাসিন্দা বা পরিবার।আর বাইত শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘর।যুক্তার্থ হচ্ছে ঘরের বাসিন্দা। শরিয়তের পরিভাষায় আহলে বাইতের পরিচয় যদি আমরা হাদিস পাকে খুজতে যাই তাহলে দেখতে পাইতে,হযরত আয়েশা সিদ্দাকা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন যে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা কালো নক্সা বিশিষ্ট চাদর পরিধান করে হুজরা শরিফে বসে রইলেন।এমতাবস্থান হযরত মা ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা আসলেন।তখন চাদরের মাঝে তাকে প্রবেশ করে নিলেন।এরপর হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনফু আসল...